কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় এবার তরমুজের আগাম ফলন কৃষকের মুখে হাসি

দিদারুল আলম সিকদার কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উত্তরে দ্বীপ  কুতুবদিয়া উপজেলায় আগাম তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নে সন্দিপী পাড়া, শান্তি বাজার, পুতিন্না পাড়া এলাকায়।

এই এলাকা গুলোতে গত আগষ্ট মাসের শুরুতে চ্যাম্পিয়ান ও জাম্বু নামক দু’জাতের তরমুজের চাষ হয়েছে। চড়া দামে বিক্রি করতে পারায় বেশ ফুরফুরা মেজাজে রয়েছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে তরমুজ তুলে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি শুরু করেছেন কৃষকরা। বিভিন্ন ফলের দোকান ছাড়াও সড়কে ভান গাড়ি নিয়ে চলছে তরমুজ বিক্রি।
উপজেলা গেইটে তরমুজ বিক্রি করছিলেন দেলোয়ার নামে এক ব্যবসায়ী। প্রতিটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৮০ টাকায়।
তিনি জানান, এবার উপজেলা আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের আগাম
তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আকারে বড় এবং স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় এই তরমুজের দামও বেশি। প্রতি ১শ তরমুজ তাঁরা খেত থেকে ৯ হাজার টাকায় কিনে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের সন্দিপী পাড়া ৫ নং ওয়ার্ডে বিশাল এলাকা জুড়ে তরমুজের ক্ষেত। কেউ তরমুজ কাটছে, কেউ বা আবার ভার করে তরমুজ স্তুপ করে রাখছে। এরপর পাইকাররা উপজেলার বিভিন্নপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে এসব তরমুজ।
সন্দিপী পাড়ার কৃষক সরওয়ার আলমের স্ত্রী খাদিজা বেগম বলেন,সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে তাদের এবং টাকার অভাবে সার না দেওয়াতে কিছু তরমুজ পোকায় ধরেছে।
আলী আকবর ডেইল এলাকার চাষি রহিম মিয়া জানান, সমুদ্র উপকূলে তরমুজের চাষ অন্যান্য এলাকার তুলনায় দুই মাস আগে হয়। এই তরমুজের চাহিদা বেশি এবং দামও ভালো পাওয়া যায়। তরমুজের চাষ করে প্রতিটি খেতের মালিক এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন।
আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজবাহ উদ্দীন সেলিম বলেন,আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের ফলনও ভালো হয়েছে। তরমুজের দাম পাওয়ায় চাষিরা উৎসাহ পাচ্ছেন। তাই আগামী বছর দ্বীপে তরমুজের চাষ আরও বাড়বে।