হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুরে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভরাডুবি

কামরুল হাসান কাজল, হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন  সম্পন্ন হয়েছে। জানা যায় যে, গত ৫ জানুয়ারী সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্ষন্ত একটানা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে

নির্বাচনের ফলাফল আসে আওয়ামীলীগ ৬টি, বিদ্রোহী ৫টি, বিএনপি ৮টি, জামায়াত ১ ও স্বতন্ত্র ১টিতে বিজয় লাভ করেছেন। এর মধ্যে চুনারুঘাট উপজেলায় আওয়ামীলীগ ৪টি, বিদ্রোহী ৩টি, বিএনপি ২টি ও জামায়াতে ইসলামি ১টি এবং মাধবপুর উপজেলায় আওয়ামীলীগ ২টি, বিদ্রোহী ২টি, বিএনপি ৬টি ও স্বতন্ত্র ১টি।চুনারুঘাট উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যানগণ হচ্ছেন গাজীপুর ইউনিয়নে বিএনপি মক্কার জেদ্দা নগর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, আহম্মদাবাদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাকির হোসেন পলাশ, দেওরগাছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. মহিতুর রহমান সুমন ফরাজি, পাইকপাড়ায় আওয়ামী লীগ দলীয় মো. ওয়াহেদ আলী মাস্টার, শানখলায় জামায়াত সমর্থিত অ্যাডঃ নজরুল ইসলাম, চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, উবহাটায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা এজাজ ঠাকুর চৌধুরী, সাটিয়াজুরী আওয়ামী লীগ দলীয় আবদালুর রহমান, রাণীগাও আওয়ামী লীগ দলীয় মোস্তাফিজুর রহমান রিপন ও মিরাশি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় মানিক সরকার।অপর দিকে মাধবপুর উপজেলার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হচ্ছেন- জগদীশপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মাসুদ খান, আন্দিউড়ায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আতিকুর রহমান, বহরায় আওয়ামী লীগ দলীয় মো. আলাউদ্দিন, বাঘাসুরা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহাব উদ্দিন, ধর্মঘর আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ফারুক আহমেদ পারুল, চৌমুহনী বিএনপি মাহবুবুর রহমান সোহাগ, শাহজাহানপুর বিএনপি পারভেজ আলম চৌধুরী, ছাতিয়াইন বিএনপি মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ কাসেদ, নোয়াপাড়ায় বিএনপি সৈয়দ সোহেল, আদাঐর ইউনিয়নে উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি মীর খুর্শেদ আলম এবং বুল্লা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রাহী প্রার্থী মিজানুর রহমান।জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বাঘাসুরা ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণার কেন্দ্রের বাইরে কিছু লোক বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ আনে এতে এতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।