সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাই প্রকৃত মানবতা, মোশারফ হোসাইন

মাসুদ রানা,সিনিয়র রিপোর্টারঃ সেবাই পুলিশের ধর্ম। পুলিশের কাজ কী এক কথায় বুঝাতে গেলে তাই বলা হয়। কিন্তু আইন ও বিধিমালা দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত পুলিশের কাজ মূলত অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। বস্তুত আইনের আওতায় প্রদত্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে তা জনগণের সেবা করাই হয়। অর্থাৎ পুলিশের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জনসম্পৃক্ততা।

অন্যদিকে গণমাধ্যমের অন্যতম কাজ হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ এবং তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করা। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করে জনগণকে সঠিক পথ নির্দেশনার মাধ্যমে গণমাধ্যম জনসেবার কাজটিই করে। অর্থাৎ গণমাধ্যমের কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট জনসম্পৃক্ততা।আত্নমানবতার বাংলাদেশ পুলিশ কাজ করছে প্রতিনিয়ত। সাম্প্রতিক সময়ে ডিএমপির বংশাল থানায় একটি হারানো জিডির সুত্র ধরে (জিডি নং-২৫৬)গত ০৫ ডিসেম্বর ২২ ইং বংশাল থানার অফিসার ইনচার্জ এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় সিনিয়র এসআই মোশারফ হোসাইনের একান্ত প্রচেস্টায় দীর্ঘ দুই মাস পাঁচ দিন পর রাজধানীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোঁজাখুজির পর  মানসিক ভারসাম্যহীন আনোয়ার হোসেন(১৪)কে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বংশাল থানা পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়,উদ্ধারকৃত আনোয়ার হোসেন’একজন মানসিক ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধি,তার পিতা,সোনামিয়া,গ্রাম,লোহযুরি,থানা কটিয়াদী,জেলা কিশোরগঞ্জ ।নিখোঁজ হওয়া সংক্রান্ত তার বড় ভাই মোঃ দেলোয়ার হোসেন বংশাল থানায়  জিডি  করার পর পরই সারা বাংলাদেশ বেতার বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে নিজের ব্যক্তিগত আইডি থেকে একযোগে প্রচার করেন এসআই মোশারফ হোসাইন।উপায় না পেয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর ২১ ইং তারিখে বাংলাদেশের বহুল প্রকাশিত বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা একটি  নিখোঁজ সংবাদ চাপানো হয়।তারপর ও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়না মানসিক ভারসাম্যহীন আনোয়ারের।হাল না ছেড়ে খোজাখঁজি অব্যাহত রেখেছেন এসআই মোশারফ হোসাইন।গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২২ ইং একটা সংবাদ এর ভিত্তিতে কমলাপুর রেলস্টেশন এলাকায় অনেক খোঁজাখুজির পর তাৎক্ষণিক বিধি মোতাবেক ঊর্ধ্বতন অফিসার কে জানিয়ে কমলাপুর এলাকা হতে মানসিক প্রতিবন্ধি আনোয়ার কে উদ্ধার করে বংশাল থানায় নিয়ে আশা হয়।তারপর আনোয়ারের বড় ভাইয়ের হাতে সোপর্দ করা হয় ও মানসিক প্রতিবন্ধি ভাইকে।ব্যক্তি জীবন ও কর্মজীবন যদি ও এক নয় তারপর মানুষ চাইলে তার মানসিকতা ঠিক রেখে সকল অসম্ভব কে সম্ভব করতে তার জন্য দরকার ইচ্চা শক্তি ।মোশারেফ হোসাইন একজন সাদা মাঠা কর্মোঠো পরিশ্রমী সৎ পুলিশ কর্মকর্তা।আত্নমানবতার সেবায় সবসময় নিজেকে এগিয়ে রেখেছেন,করোনা কালীন মহুত্ব্য পুলিশি সহায়তার পাশাপাশি নিজ ব্যক্তি উদ্যাগে অসংখ্য হতদরিদ্র চিন্নমূল মানুষকে আর্থিক সহায়তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন।তিনি বিশ্বাস করেন,মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নয়,কর্মেই মানুষের পরিচয়।কর্মই পারে মানুষকে মৃত্যুর পরও বাঁচিয়ে রাখতে।মোশারফ হোসাইন’কে একজন কলামিস্ট ও বলা চলে অবসর সময় টুকু তার লিখনীর মাধ্যমে এদেশের অজানা অনেক তথ্য তিনি ফুটিয়ে তুলেন এদেশের রেমিটেন্স যোদ্ধাদের নিয়েও তিনি অনেক ভাবেন তাদের আয়ে সচল আমাদের অর্থনীতি তাইতো তাদের হয়রানি রোধে ও কঠোর হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

সর্বপরি তিনি বলেন একজন মানবিক মানুষ হয়ে সেবার ব্রত নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাই প্রকৃত মানবতা।