সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু প্রথম দিনে ৩১০ জন নিয়ে গেল পর্যটক বাহী জাহাজ

দিদারুল আলম সিকদার, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের সমুদ্রনগরী পর্যটন জেলা কক্সবাজারের সীমান্তপথ টেকনাফের নাফ নদীর মহনায়- চারপাশের সবুজের ঘেরাও বঙ্গব সাগরের তীরভূমি অপরুপ সুন্দরতম  চরণ দ্বীপের সেন্টমার্টিন জেটি চলাচল উপযোগী হওয়ায় প্রথম বারের মতো টেকনাফ থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু। ৩১০ জন পর্যটক নিয়ে  দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু করেছে। কেয়ারি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস নামে একটি জাহাজ সকালে আনষ্ঠানিকভাবে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন রওনা দেয়। প্রায় সাড়ে ৩শ ১০ জন পর্যটকবাহী এ জাহাজটি ফিরে আসার পর, নৌ-রুট নিরাপদ কিনা বিবেচনা করে পরবর্তীতে অন্যান্য জাহাজগুলো চলাচলের সিদ্ধান্ত দেবে জেলা প্রশাসন।

সমুদ্রের নীল জলরাশির বুক চিঁড়ে এগিয়ে চলছে দুরন্ত জাহাজ। নাবিকের গন্তব্য একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন।
যাওয়া আসার পথে পর্যটকদের সঙ্গী সামুদ্রিক পাখি সাদা গাংচিল। এ যেন পাখিদের সাথে ভ্রমণ পিপাসুদের অনন্য এক মিতালী।
মহামারি করোনা, প্রতিকূল আবহাওয়া ও সেন্টমার্টিনের জেটি চলাচল অনুপযোগী থাকায় দীর্ঘদিন নিয়মিত পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভিড়েনি। সম্প্রতি জেট সংস্কারের পর জাহাজে পর্যটক যাতায়াতের সূচনা হলো।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষতি হয়েছে তাদের। জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে সব শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে। এর আগে জেলা প্রশাসনের টিম সেন্টমার্টিন জেটি পরিদর্শনে যান। সবকিছু বিবেচনা শেষে মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।