শেষ মুহূর্তে দলে নেই কামিন্স, নেতৃত্বে স্মিথ

ক্রিয়া ডেস্ক: বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারিতে নেতৃত্ব হারানোর পাশাপাশি দল থেকেও অনেক দিন দূরে ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। পরে আবার দলে ফিরলেও নেতৃত্বের ঝান্ডা উঠেনি হাতে। কিন্তু মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো নেতৃত্বের সেই ঝান্ডা উঠেছে আবার স্মিথের হাতেই। নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক ব্যাক্তির সংস্পর্শে থাকায় তাকে ৭ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হচ্ছে। যে কারণে তার পরিবর্তে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দিবা-রাত্রির অ্যাডিলেড টেস্টে নেতৃত্বের ভার এসে পড়েছে স্মিথের ওপর।

এই টেস্ট সিরিজে তিনি ছিলেন সহ-অধিনায়ক। এই ম্যাচে স্মিথের ডেপুটি করা হয়েছে ট্রাভিস হেডকে।

এদিকে কামিন্সের জায়গায় দলে নেওেয়া হয়েছে বোলিং অলরাউন্ডার মাইকেল নেসারকে। সেরা একাদশে ঢুকে অভিষেক হয়েছে তার। আর ২৬ ডিসেম্বর বক্সিং ডে টেস্ট মেলবোর্নে আবার টস করতে নামবেন কামিন্স।

কামিন্সের নেতৃত্বে অ্যাসেজ সিরিজ দারুণভাবে শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। নো-বল বিতর্ক ছাপিয়ে ব্রিসবেনে প্রথম টেস্ট জিতেছিল চার দিনে ৯ উইকেটে। দ্বিতীয় টেস্ট খেলার জন্যও প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু বাদ সাধে আগের দিনের রাতের খাবার। স্বতীর্থ মিশেল স্টার্ক ও নাথান লিয়নকে নিয়ে একটি রেস্টুরেন্ট রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলেন কামিন্স। সেখানে কামিন্স যে টেবিলে বসেছিলেন তার পাশের টেবিলে খাবার পরিবেশনের দায়িত্বে থাকা একজনের করোনা পজেটিভ আসে। এ সময় লিয়ন ও স্টার্ক বাইরে ছিলেন। বিষয়টি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে জানানোর পর তারা কামিন্সকে সাত দিনের আইসোলেশনে পাঠিয়ে দেয়।

পরে কামিন্সের পিসিআর টেস্ট করানো হলে সেখানে রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। তারপরও তাকে সাত দিনের আইশোলেশনে থাকতে হবে।

এদিকে স্টার্ক ও লিয়নকে খেলার অনুমতি দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।।