শেখ রাসেল মেমোরিয়াল সমাজকল্যাণ সংস্থার ‘শেখ রাসেল দিবস’ উদযাপন

রাকিব হাসান: শেখ রাসেল মেমোরিয়াল সমাজকল্যাণ সংস্থার আয়োজনে জাতীয় শেখ রাসেল দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, হৃদয়ে শেখ রাসেল, অসহায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, গুণীজন সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ রাসেল মেমোরিয়াল সমাজকল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হাসেম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মঈনুদ্দিন কাজী মুরাদ, কোষাধ্যক্ষ রুবেল শিকদারসহ অনেকে। জনপ্রিয় নাট্যব্যক্তিত্ব তারিন জাহান, স্বাধীন বাংলা বেতারের শব্দ সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সমন্বয়ক অরুন সরকার রানা ও জাতীয় পর্যায়ের শিপ্লীদের উপস্থিতিতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জনাব মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ এম.পি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এম.পি। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন- সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা বগুড়া-৭ আসনের এম.পি মোঃ রেজাউল করিম বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য, উপ-সচিব মনির হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য উপদেষ্টাগন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজ ১৮ই অক্টোবর বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন। ১৯৬৪ সালের এই দিনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কোল আলো করে ফুটফুটে এক শিশুর জন্ম হয় শেখ রাসেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে বিপথগামী সেনা সদস্যরা। সেদিন মাত্র দশ বছরের শেখ রাসেলকেও তারা নির্মমভাবে হত্যা করে। অনেক আকুতির পরও ঘাতকের মন গলাতে পারেনি ছোট্ট শিশু রাসেল। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই রাসেল আজ বেচে থাকলে ৫৭ বছরের টকবগে জোয়ান থাকতো। তার পিতা বঙ্গবন্ধুর মতোই দেশের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিতো।

অনুষ্ঠান শেষে সকলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল বাংলা টিভি, নিউজ হান্ট ও দৈনিক আমার সময়। সার্বিক সহযোগিতা করেন দেশের খ্যাতনামা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।