শীতের আগমন, লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা

আরিফ হোসেন, চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি: আগেভাগেই শীতের আগমন। দিনে সূর্যের আলো থাকলেও সন্ধার পর কুয়াশায় চারদিক ঢেকে যাচ্ছে। অনেকেই শীতের গরম কাপড় পরিধান করছেন। এদিকে ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এবার আগেভাগেই নামবে শীত। তাই বাজারের লেপ-তোশক ব্যবসায়ীদের মুখে ফুটেছে হাসি। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে হালকা শীত নামতে শুরু করেছে। আগাম শীতের কারনে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় খুশি গরম কাপড় ব্যবসায়ীরাও। লোকজন নিজের পরিবারের সদস্যদের জন্য লেপ-তোশক সংগ্রহ করছেন। এদের কেউ সম্পূর্ণ নতুন লেপ তৈরি করছেন আবার কেউ পুরাতন লেপ
দিয়ে নতুন লেপ তৈরি করছেন। বিশেষ করে লেপের কভার তৈরি করছে অনেকে। লেপ-তোশক তৈরির অগ্রিম বায়নাও নিচ্ছন কারিগররা। তবে এবার কাপড়ের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় লেপ-দোশকের দাম বেড়েছে। উপজেলার দুলারহাট বাজারের বিক্রেতা মোঃ কামাল জানান, গত বছর শীতের মৌসুমের প্রথম দিকে করোনার মধ্যে দোকান বন্ধ থাকায় লোকসান গুনতে হয়েছে। দোকান ভাড়া ও কর্মচারিদের বেতন দেওয়া কষ্টসাধ্য ছিল। এবার প্রথম দিকে শীতের আগমন। ক্রেতাও বেড়েছে। বেড়েছে কাজের চাপ। রেডিমেটের চেয়ে অর্ডারী লেপ-তোশকের কাজের চাপ বেশি। কাপড়ের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় লেপ-তোশকের দামও বৃদ্ধি। কারিগর রাশেদ জানান, এখন কাজকাম ভালো। কাপড়ের দাম বাড়ার কারনে মালের দাম বেড়েছে। প্রতিদিন তিন থেকে চারটি লেপ বানাই। দোকানে বেচা বিক্রি বাড়ার কারনে দোকান মালিক বেতন দিতে কষ্ট হচ্ছেনা। শীতের প্রথম দিকে কাজের চাপ বেশি থাকে।