রামুর জোয়ারিয়ানালায় ভাতার দাবিতে পরিষদ ভবন ঘেরাও করে উপকার ভোগীগণ

  • দিদারুল আলম সিকদার, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি: 
কক্সবাজারের
রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালায় ই জি পি পি প্লাস হল বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত অতি দরিদ্রদের একটি কর্মসংস্থান কর্মসূচি।
এই প্রকল্পের অধীনে কক্সবাজারের রামু উপজেলার ৬নংজোয়ারিয়া নালায় ৪৮৭ জন উপকারভোগী কাজ করে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বিগত ৩৫ দিন ধরে কাজ করে আসা এই হতদরিদ্র উপকারভোগীদের কেউই এ পর্যন্ত কোনরকম ভাতা বা সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ করেন প্রকল্পে কাজ করা উপকারভোগীরা।
২৪ নভেম্বর ভাতার দাবীতে তারা ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করে। বিক্ষোভরত উপকারভোগীদের পক্ষে তাদের দলনেতা হাবিবুর রহমান বলেন,জোয়ারিয়া নালা ইউনিয়ন পরিষদের ৪৮৭ জন শ্রমিক ৩৫ দিন ধরে কাজ করেও এ পর্যন্ত কোন ভাতা আমরা পাইনি।আমরা সকলেই হতদরিদ্র পরিবারের একমাত্র উপার্জন কম ব্যাক্তি।
আমরা দিনে এনে দিনে খাই।আমরা উপার্জন করতে না পারলে আমাদের সংসারের টাকা অচল। ধার-কর্জ করে এতদিন কোনরকম সংসার চালালেও এখন তা আর সম্ভব হচ্ছে না।আমরা খেয়ে না খেয়ে কোনরকম দিনাতিপাত করতেছি।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের আকুল আবেদন, আমাদেরকে অন্তত ২০ দিনের ভাতা ও দিলে আমরা কোনরকম খেয়ে পরে বাঁচতে পারতাম।আমরা আজকে পরিষদ ঘেরাও করেছি,ফলাফল না পেলে আগামীকাল উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করা হবে।ভাতার দাবীতে রামুর জোয়ারিয়া নালায় পরিষদভবন ঘেরাও উপকারভোগীদের।
৬ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স বলেন,আসলে ভাতার দাবিতে পরিষদ ঘেরাও করতে আসা এসব হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী জানেনা এই প্রকল্প কার অধীনে চলতেছে অথবা এটা তাদের জানার বিষয় ও নয়।তারা বুঝে কাজ আর টাকা। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমার অনুরোধ থাকবে যথাশীঘ্র সম্ভব এ সকল হতদরিদ্র উপকারভোগীদের দাবি যেন পূরণ করা হয়।
এ বিষয়ে রামু উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলী জনাব মোঃ রায়হান শরীফের কাছে জানতে চাইলে বলেন, কক্সবাজারের কোন উপজেলাতেই আমরা উপকারভোগীদের ভাতা দিতে পারিনি। তাদের আবেদন আমরা মহাখালী হেড অফিসে অফিসিয়ালি পাঠিয়ে দিয়েছি।খুব শীগ্রই তাদের ভাতা প্রদান করা হবে বলে আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন।