রমনা থানা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি হত্যাকান্ডের মুল আসামী র‍্যাব-৩ কর্তৃক গ্রেফতার

  • মাসুদ রানা,সিনিয়র রিপোর্টারঃ

র‍্যাব-৩ বিগত দিনগুলোতে চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যাকান্ডের আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযানপরিচালনা করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৩ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখ রাতেঢাকা জেলার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা হতে বহুল আলোচিত পত্রপত্রিকায় প্রচারিত রমনা থানা ছাত্রলীগের তৎকালীনসহ-সভাপতি এবং রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাহবুবুর রহমান রানাকে কুপিয়ে চাঞ্চল্যকরহত্যাকান্ডের অন্যতম পলাতক আসামী মোঃ ইকবাল হোসেন তারেক (৩৮)চাঁদপুরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।সে উক্ত হত্যামামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে তৎকালীন সুইফ ক্যাবল লিমিটেড নামক ডিস ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করত। উক্ত প্রতিষ্ঠানেরমালিক ছিল কামরুল ইসলাম এবং তানভিরুজ্জামান রনি। তাদের সাথে নিহত মাহবুবুর রহমান রানার ব্যবসায়িক বিরোধছিল। উক্ত বিরোধ নিয়ে এক পক্ষ আরেক পক্ষের ডিসের ক্যাবল কেটে দিত এবং উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায়শই মারামারি হত। উক্তঘটনার জের ধরে ২৩ জানুয়ারি ২০১৪খ্রিঃ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাহবুবুর রহমান রানা মোটরসাইকেল যোগে মগবাজার চৌরাস্তাথেকে মসজিদের পাশের গলিতে প্রবেশ করলে বাটার গলির মুখে সেসহ অন্যান্যরা তার মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে রানারমুখে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

এসময় স্থানীয় লোকজন সাহায্যের জন্য এগিয়ে এলে তারা বোমা বিস্ফোরন ঘটায় এবং গুলি ছোড়ে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীঘটনাস্থলে পৌছার পূর্বেই তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ব্যক্তিরা রানাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়েগেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ০২ টি তাজা বোমা ও রক্তমাখা চাপাতিউদ্ধার করে।উক্ত ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় দন্ডবিধি তৎসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ২০০৮ এর ৩/৬ ধারায় মামলা রুজু হয়। মামলা রুজু হওয়ার পরেই ধৃত আসামী আত্মগোপনে চলে যায় ।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন হলে জানান বীণা রানী দাস,পুলিশ সুপার স্টাফ অফিসার(মিডিয়া) র‍্যাব-৩।