মানিকগঞ্জে বিদ্রহী ১১ প্রার্থী বহিষ্কার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:  মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিদ্রহী ১১জন প্রার্থীকে বহিস্কার করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ। আগামী ২৮ নভেম্বর
৩য় দফার নির্বাচনে দলীয় মনোনিত প্রার্থীকে সমর্থন না কর বিদ্রহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাদের বহিস্কার করা  হয়। সোমবার দুপুরে জেলা আওয়ামী-লীগের প্যাডের পাতায় সভাপতি ও  সাধারণ সম্পাদক ¯^াক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।  অওয়ামী-লীগের গঠনতন্ত্রের ৪৭/১১ ধারা মোতাবেক বিদ্রহী  প্রার্থীদেরকে দল থেকে বহিস্কার করা হয় বহিষ্কৃত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য দিঘী ইউনিয়নের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক রাজা, দিঘী ইউনিয়ন সদস্য নুসরাত ইসলাম নুপুর, সদর উপজেলা সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের প্রার্থী মো  আসমত আলী, সাধারণ সদস্য এ্যাড. ফারুক আহমেদ ফিলিপ, সদর থানা কৃষক লীগের সাবেক আহŸায়ক কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রার্থী আব্দু হামিদ (চান্দু দারোগা), সদর উপজেলর কৃষি বিষয়ক সম্পাদক পুটাই ইউনিয়নের প্রার্থী আব্দুল জলিল, সড়ক ও পরিবহন শ্রমিক লীগের  সভাপতি সোহেব আহম্মেদ রাজা, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন সভাপতি  ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের প্রার্থী আব্দুল কাদের, সদর উপজেলা ত্রাণ ও সমাজ
কল্যাণ সম্পাদক জাফর ইমাম শাহাজাদা, হাটিপাড়া ইউনিয়নের সাধারণ সদস্য হাটিপাড়া ইউনিয়নের প্রার্থী মোঃ মিজানুর রহমান মজনু আটিগ্রাম ইউনিয়ন সাধারণ সদস্য আটিগ্রাম ইউনিয়নের প্রার্থী নার্গিস আক্তার বাচ্চা। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি  ইউনিয়নে নির্বাচন এলাকার এই ১১ প্রার্থীকে বহিস্কার করা হয়  হাটিপাড়া ইউনিয়নের আ’লীগের বিদ্রহী প্রার্থী মিজানুর রহমা মজনু বলেন, আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেই আমাদের হাতে খড়ি। জনগ আমাকে নির্বাচনের আগ্রহ জুগিয়েছে। তাদের অনুপ্রেরণাতে আমি প্রার্থী হয়েছি। দলীয়ভাবে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে আমি আশাবাহী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এবং আমি বিজয়ী হব।

দিঘী ইউনিয়নের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক রাজা বলেন, বহিষ্কারের বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না। আমি কোন নোটিশ পাইনি। এটা কি দলথেকে স্থায়ী বহিষ্কার নাকি সাময়িক নোটিশ পেলে জানতে পারব। জনগণ আমাকে দাড় কারিয়েছে আমি জনগণের সেবা করতে চাই। বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম মহিউদ্দিন বলেন, আমরা যারা আওয়ামীলীগ করি জাতির পিতার আদর্শ মেনে চলি। সভানেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার বাইরে আমাদের এক চুলও যাওয়ার সুযোগ নেই। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের সাথে সিংগাইর নির্বাচনের বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা কেন্দ্রী নির্দেশ মোতাবেক বিদ্রহী প্রর্থীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছি। দলীয় পদে থেকে যাঁরা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের সবাইকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সব ধরনের পদ থেকে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় পদে থেকে যারা নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রহী বা সতন্ত্র প্রার্থীর প¶ে কাজ করছেন তাদেরও কঠোর হুশিয়ারি জানান তিনি।