ভাল আইন ও তার বাস্তবায়ন পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভায় বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিবছর বিশ্বে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল স্টাটাস রিপোর্ট অব রোড সেইফটি ২০১৮ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫-২৯ বছর বয়স সীমার মানুষের মৃত্যর অন্যতম প্রধান কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। আর এসব মৃত্যুর ৯০ শতাংশ নিম্ম ও মধ্যম আয়ের দেশে সংগঠিত হয়। তাই নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তরা।

রবিবার ১৯ শে ডিসেম্বর সকাল ১১ টায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সভা থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেইফটি প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন । তার প্রবন্ধে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ টি রিস্ক ফ্যাক্টর তুলে ধরেন। সড়ক
দুর্ঘটনায় আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও বর্তমান নিরাপদ সড়ক আইন ২০১৮ এর গ্যাপগুলোর সুপারিশসমুহ এবং বাংলাদেশে নিরাপদ সড়ক জোরদারকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন গ্লোবাল হেলথ এডভোকেসি ইনকিউবেটর বাংলাদেশ কান্ট্রি কো – অডিনেটর ড. মো. শরীফুল আলম, গ্লোবাল রোড সেইফটি এডভোকেসি ও গ্রান্টস প্রোগাম ম্যানেজার তাইফুর রহমান, এটিএন নিউজের বার্তা সম্পাদক ও ল রিপোর্টার ফোরামের সভাপতি মাসুদুল হক, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সহকারী পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান।

গ্লোবাল হেলথ এডভোকেসি ইনকিউবেটর বাংলাদেশ কান্ট্রি কো – অডিনেটর ড. শরীফুল আলম বলেন, “ সড়ক আইনে অনেক ফাঁক- ফোঁকড় রয়েছে। যেগুলোকে সামান্য গুরুত্ব দিলে তা হ্রাস করা সম্ভব এবং তা বাস্তবায়ন করাও সম্ভব।”গ্লোবাল রোড সেইফটি এডভোকেসি ও গ্রান্টস প্রোগাম ম্যানেজার তাইফুর রহমান বলেন, “ সড়ক দুর্ঘটনা একটি প্রতিরোধযোগ্য সমস্যা। একটি ভালো আইন ও তার প্রয়োগ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়।” এটিএন নিউজের বার্তা সম্পাদক ও ল রিপোর্টার ফোরামের সভাপতি মাসুদুল হক বলেন, “ আইনের গ্যাপগুলো যেমন সংশোধন প্রয়োজন তেমনি আইন বাস্তবায়ন করাও প্রয়োজন। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম কাজ করতে পারে সামনের সারি থেকে।”সভায় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের ১৫ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন মঈন আব্দুল্লাহ ( আমাদের সময়), আব্দুল্লাহ রায়হান ( যায় য়ায় দিন), মো. জাহিদুল ইসলাম (ডেইলি সান), মনির আহমেদ জারিফ (মানবকণ্ঠ), সাইফুল ইসলাম (বাংলাদেশ টুডে), মো. ইশরাক ফারুক ( ইউনাইটেড নিউজ ডট কম), নাসির উদ্দিন (পজিটিভ নিউজ), ওয়াশিকুর রহমান ( সাম্প্রতিক দেশকাল)।