বামনায় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদক কারাগারে

মাসুদ রেজা বামনা প্রতিনিধি: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় বরগুনার বামনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

আজ বুধবার বামনা উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোর্শ্বেদ শহরিয়া গোলদার ও সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন হোসেন জনি আদলতে হাজিরা দিতে গেলে আদালতের বিজ্ঞ হাকিম রাসেল মজুমদার তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
আদালত সূত্রে জানাগেছে, ওই মামলায় আরো ৮ জন আসামীকে বিজ্ঞ আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান চৌধূরী কামরুজ্জামান সগির, জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন পিন্টু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. কবীর হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা আল-আমীন, মুন ফরাজী, যুবলীগ নেতা অমি তালুকদার ও মো. রাব্বি।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, গত বছর ২১ জুন প্রথম ধাপে বামনা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর পূর্বে এই নির্বাচনটি ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারনে নির্বাচন স্থগিত করেন নির্বাচন কমিশন। ওই স্থগিত হওয়া নির্বাচনের পূর্বে গত ২২ মার্চ উপজেলার গোলচত্তরে সরকারদলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের হামলার শিকার হয় মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকুজ্জামান সোহাগ। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনায় একদিন পরে গত ২৩ মার্চ বরগুনা কোর্টে তরিকুজ্জামান সোহাগ বাদি হয়ে ২৬ জন সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বিজ্ঞ আদালত ১০ জন আসামীকে হাজির হতে নির্দেশ দেন। আজ বুধবার ওই মামলায় প্রথম শুনানীর দিন সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা হাজির হতে গেলে বিজ্ঞ আদালত ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকি ৮ জনকে জামিন প্রদান করেন।
এব্যাপারে মামলার বাদী স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকুজ্জামান সোহাগ বলেন, আমি আদালতের ওপর সনন্তুুষ্ঠ। আমার ওপর হামলার বিচার আদালতের মাধ্যমে পেয়েছি। বাকি আসামীদেরও বিচার আদলত করেবেন এ বিশ্বাস আমার রয়েছে।