বই মেলা থেকে বঙ্গবন্ধুর জীবনী শিখবে স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা

দিদারুল আলম সিকদার,  কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার জেলা বইমেলা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক ও জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ বলেন, বই মেলা থেকে “বঙ্গবন্ধুর,,জীবনী শিখবে প্রতিটি শিক্ষার্থীরা৷ আগামী প্রজন্ম বই পড়ার কারিগর। আশা করি বই মেলা থেকে শিক্ষার্থীরা এমন জ্ঞান শিখবে যারা আগামীর সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে বিরল ভূমিকা রাখবে৷ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল এ বই মেলা। লেখক, প্রকাশক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের জ্ঞানের খােরাক হিসেবে ৪ দিনব্যাপী এ বইমেলা অনন্য ভূমিকা হয়ে থাকবে৷

তিনি আরো জানান, আলোকিত মানুষ হতে হলে বই পড়ার কোন বিকল্প নেই। বই পড়ার মাধ্যমে সুস্থ সংস্কৃৃতির বিকাশ ঘটবে। বই মেলায় অংশগ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগসহ দেশের অনেক ইতিহাস জানবে৷

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও  কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজিত চার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল

রবিবার (২ জানুয়ারি) সন্ধায় শহিদ দৌলত ময়দানে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বইমেলার সমাপনী দিনে বই স্টল পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন৷

জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ  সংবাদ কর্মীদের  কে জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণে আগামী প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জাতির পিতার জীবন দর্শনে শাণিত করতে এ বইমেলা ছাড়া কোন বিকল্প নেই৷

তিনি আরো জানান, স্টল পরিদর্শনকালে আমার এমন ভাল লাগল যা বলার মত নই৷ আমি নিজেও পড়ার জন্য এবং ইতিহাস জন্য বই ক্রয় করেছি৷

জেলা প্রশাসন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিশেষ শিশুদের চাহিদা সম্পন্ন অরুনোদয় স্কুল এর প্রধান শিক্ষক শাহজালাল বলেন, এবারের বই মেলায় আমাদের স্কুলের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকার বই ক্রয় করেছি৷

কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্র বলেন, চারদিনের বই মেলায় এসে অনেক ভাল লাগল৷ বঙ্গবন্ধু এবং দেশের ইতিহাস জানতে আমি ২ হাজার টাকার বই ক্রয় করেছি৷

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার প্রায় প্রতিষ্টানের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা প্রতিটি স্টল ঘুরে ঘুরে দেখে তাদের পছন্দনীয় বই ক্রয় করেন৷

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আমিন আল পারভেজ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) বিভীষন কান্তি দাশ, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারি/ বেসরকারি কর্মকর্তা , শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।