পুলিশ জাদুঘর উদ্বোধন করলেন আইজিপি

মো. বাদশা মিয়া, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: আজ ২২ জুন দুপুরে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় “বাংলাদেশ পুলিশ জাদুঘর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. বেনজির আহম্মেদ।

উদ্ধোধনকালে রপুর বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব ভূইয়া, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাশ ভট্টাচার্য, জেলা প্রশাসক আবু জাফর, লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার  আবিদা সুলতানা,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর, রংপুর বিভাগের পুলিশে কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিজিবির কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এটি দেশের প্রথম পুলিশ জাদুঘর। এ জাদুঘরটি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার পুরাতন ভবনে অবস্থিত।জাদুঘরটি উদ্বোধন হলে পাল্টে যাবে এলাকার দৃশ্যপট। জাদুঘর দেখতে আসা দর্শনার্থীদের আগমন ঘটলে এ এলাকায় প্রসারিত হবে ব্যবসা বাণিজ্য, আলোকিত হবে মানুষজনের জীবনমান উন্নয়ন।

লালমনিরহাট জেলার ২৩ তম পুলিশ সুপার হিসেবে গত ১৫ জানুয়ারী’২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে যোগদান করেন আবিদা সুলতানা বিপিএম, পিপিএম। যোগদানের পর হাতীবান্ধা থানা পরিদর্শনে এলে থানা প্রাঙ্গনে থাকা পুরাতন ঐতিহ্যবাহী এই ভবণটিকে বাংলাদেশের পুলিশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণের কাজে লাগানোর চিন্তা করেন। এ সংক্রান্তে সুনিদিষ্ট ও বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহনে সহযোগিতা করেন লালমনিরহাট সহকারী পুলিশ সুপার বি-সার্কেল তাপস সরকার, তৎকালীন হাতীবান্ধা থানা ওসি ওমর ফারুক ও তার বদলীর পর গত ২৬ আগষ্ট’২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ওসি এরশাদুল আলম।

এরপর রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বিপিএম এবং বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি বেনজির আহমেদ বিপিএম(বার) সম্মতিক্রমে“ বাংলাদেশ পুলিশ জাদুঘর, লালমনিরহাট” প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম ৩১ জানুয়ারী’২০২১ খ্রিস্টাব্দ তারিখে শুরু হয়।পরবর্তীতে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানার নিবিড় তত্তাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয় “বাংলাদেশ পুলিশ জাদুঘর, লালমনিরহাট”। উক্ত জাদুঘরটিতে পুলিশের ইতিহাস, ঐতিত্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণ করা হয়েছে।এ সংগ্রহশালায় ব্রিটিশ পুলিশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ পুলিশ পর্যন্ত তাদের পোশাক, যুদ্ধ সরঞ্জাম, অস্ত্র, পুলিশের পদবী, রণকৌশল সম্পর্কে ধারণা পাবেন দর্শনার্থীরা। এছাড়াও পাশের একটি ভবনে শিশু কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে আগত দর্শনার্থী ও তাদের সন্তানরা আনন্দ ও বিনোদন গ্রহণ করবেন। এ জাদুঘর ও শিশু কর্নারটি সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য উম্মুক্ত রাখা হবে।