নড়াইলে অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ ধ্বংসের মুখে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ

সাজ্জাদ তুহিন নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল লোহাগড়া কালিয়া ও নড়াগাতি এলাকায় অবৈধ ইটভাটা গুলিতে কয়লালার বদলে পুড়ছে কাঁচা কাঠ। কয়লা বাদে পুড়ছে কাঠ,স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিবেশের হচ্ছে সর্বনাশ। ধংশের মুখে পড়েছে পরিবেশ, ঝুঁকিতে পড়েছে মানুষের স্বাস্থ্য সেবার মান,হারাচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য।

জেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর কে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে কোন রকম ছাড়পত্র ছাড়াই  শত শত মণ কাঁচা জ্বালানি কাঠ পোড়ানো হচ্ছে এ সকল ইটভাটা গুলিতে।

১৬ জানুয়ারী (রবিবার) থেকে ২০ জানুয়ারী পর্যন্ত কালিয়া লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটা ঘুরে দেখা যায় এসব ইট ভাটায় বেশির ভাগ কাঁচা জালানি কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। তবে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, হাইব্রিড হফম্যান, জিগজ্যাগ ও ভার্টিক্যাল শ্যাফট কিলন পদ্ধতির চিমনি বা পরীক্ষিত নতুন প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব ইটভাটা স্থাপন করতে হবে।

এ ছাড়া ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালালি কাঠ ব্যবহার করলে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং অনধিক তিন লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে আইনে। তার শর্তেও সরকারি আইন উপেক্ষা করে কালিয়া খেয়াঘাট এলাকার নাবিব ব্রিকস, ভাই ভাই ব্রিকস, স্টার ব্রিকস, এল বি এম ব্রিকস প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কাঁচা জালানি কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করছে।

শুধু তাই নয় যেখানে সরকার নদী ভাঙ্গন রোধে বিকল্প ব্যাবস্থা গ্রহন করতে মরিয়া ঠিক তখনই এসব ভাটা মালিকরা ইট তৈরিতে মাটির প্রয়োজন মেটাচ্ছে নদীর ভাঙ্গনের উপর থেকে গভীর গর্ত করে মাটি খুঁড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে ঝুঁকির মুখে পড়েছে হাজার হাজার হেক্টর আবাদি জমির ফসল।

তবে ভাটার এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের বলেন, প্রতি বছরের মতন এবারও জেলা প্রশাসক এর এল আর ফান্ড কালেকশন কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তা, ভ্যাট ও ট্রাঙ্ক অফিস কর্মকর্তারা এসে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা উৎকোচ নিয়ে সময় দিয়ে গেছেন।

এবিসয়ে কয়একদিন আগে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান এর মুঠোফোন অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে অচিরেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।