নিশানবাড়িয়া  ইউপি নির্বাচনে আবারও নৌকার মাঝি হতে চান দুলাল ফরাজি 

কে এম রিয়াজুল ইসলাম,তালতলী (বরগুনা)প্রতিনিধিঃ ভৌগোলিক অবস্তুানগত বঙ্গোপসাগর ও পায়রা নদীর কুল ঘেষে গড়ে ওঠা তালতলী উপজেলার  একটি ঐতিহ্যবাহি ইউনিয়ন ৬নং নিশানবাড়িয়া। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আবারও নৌকার মাঝি হতে চান মোঃদুলাল ফরাজি।
২০০২ সালে আমতলী উপজেলার অন্তর্গত থাকাকালীন ১০ নং বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম বারের মত বিপুল ভোটের ব্যবধানে  তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। (উল্লেখ্য  বাবনা উপজেলার চেয়ে আয়তনে  তৎকালীন ১০ নং বড়বগী ইউনিয়ন আয়তনে ২বর্গ কিলোমিটার বড় ছিলো।)
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুসারে ০৬/০৫/২০১০ তারিখে আমতলী উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তালতলীকে আলাদা উপজেলা ঘোষণা করা হয়।তালতলী উপজেলা ঘোষণার পড়ে এই আওয়ামীলীগের সদস্য  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক নবগঠিত ৬নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে দু’দুই বার নির্বাচনে  বিপুল ভোটের ব্যবধানে দুলাল ফরাজি চেয়ারম্যান পদে জয় লাভ করেন।
তার সততা ও আদর্শের কাছে হেরে যায় প্রতিদ্বন্দ্বী
প্রার্থীরা।২০০২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কেউ তাকে পরাজিত করতে পারেনি।মানুষের ভালোবাসায় এখনো নিজেকে মানুষের কল্যানে নিয়োজিত রেখেছেন।
অবহেলিত উন্নয়ন ও সুবিধা বঞ্চিত এ ইউনিয়নকে আলোকিত করতে ক্ষমতাসীন দলের নৌকার মাঝি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন তিনি, যার ভুমিকা অপরিসীম।
মানব সেবা পরম ধর্ম এই মানসিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন দুলাল ফরাজি। মানুষের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে ভীষণ গর্বিত মনে করেন। মূলত: এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তিনি মানব সেবা করছেন।
অসচ্ছল নারী-পুরুষদের চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা করছে, দারিদ্রদের আইনি সহায়তা প্রদান, দরিদ্র নারী-পুরুষ ও শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠর কর্মসংস্থান, বিভিন্ন কাচাঁরাস্তা পাকাকরণ, ব্রিজ, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, ঈদগাহ,  মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, খেলার মাঠ, পুকুরের ঘাট বাঁধাইসহ নানা ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী তেমনি একজন সমাজ সেবী  হিসাবে সমাজে সমাধিক পরিচিত। যিনি হাটি হাটি পা পা করে নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।
তালতলী উপজেলার  সেসব ব্যক্তি সকল লোভ, লালসা, অর্থ মোহের ঊর্ধ্বে থেকে মানব সেবা করে স্মরণীর ও বরণীয় হয়েছেন তাদের মধ্যে দুলাল ফরাজি অন্যতম।দলমত নির্বিশেষে সকলেই তাকে শ্রদ্ধা করে ও ভালবাসে।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়নে তার অবদান এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তিনি তার মেধা, সততা, প্রজ্ঞা, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং অভিজ্ঞতার সুবাদে বর্তমানে সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করছেন।
আসছে আগামী ২০২২ জানুয়ারী-মার্চের কোন এক সময়ে নির্বাচন কমিশন তালতলী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের তফসীল ঘোষনা করতে পারে। সে লক্ষে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর ছড়াছড়ি। এ তালিকায় পুরাতন আর নতুনদের সাথে হাইব্রীড ও সুবিধাবাদীদের সংখ্যা কম নয়। যে কারণে নৌকা প্রতীক নিয়ে জটিলতা সৃষ্ট হতে পারে। সে সকল জটিলতাকে উপেক্ষা করে আবারও আসন্ন নির্বাচনে উপজেলার ৬নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ মোঃদুলাল ফরাজি।
নির্বাচনী মাঠে তিনি পুরাতন মুখ এবং সবার পরিচিত মানুষ। গত ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলিগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে এলাকার যে কোন মানুষ সমস্যায় পড়লে সাথে-সাথে সেখানে ছুটে যান তিনি। মানুষের বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেন না,ছুটে যান বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে। বিয়ে-সাদী, অভাবী, কাজহীন মানুষকে সহযোগিতা করা, যুব সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তোলার চেষ্টার পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অংশগ্রহণে সব সময় নিজেকে জড়িয়ে রাখেন। ইউনিয়নের সকল বয়সী ও শ্রেণি পেশার মানুষের পরিচিত এবং আপনজন দুলাল ফরাজি। জনগণের ইচ্ছা ও ভালবাসার প্রতিদান দিতে তাই আবারও নৌকার মাঝি হতে চান তিনি। ঘরের শত্রু বিভিষণের ভুমিকা পালন করে  ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে তার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালাচ্ছেন কিছু কুচক্রী মহল। আবার দলীয় কিছু নেতৃবৃন্দ নৌকা  প্রতীকের জন্য  চালাচ্ছেন দৌড়ঝাঁপ।নৌকা প্রতীক চুড়ান্ত হওয়ার আগেই  পোস্টার  প্লাটুনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী বলে প্রতিপক্ষরা চালাচ্ছেন অপপ্রচার।
সরোজমিনে ঘুরে কথা হয় অনেকের সাথে।তারা বলেন এবারো  নৌকা প্রতীক দুলাল ফরাজি ছাড়া কোন বিকল্প নেই।এবারো ভোটে নির্বাচিত হবেন দুলাল ফরাজি।
দুলাল ফরাজি পেশায় একজন ব্যবসায়ী হয়েও রাজনীতি আর সমাজ উন্নয়নে এ ইউনিয়নের প্রতিটি পরতে-পরতে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তিনি বিশ্বাস করেন শুধু ব্যক্তিগত সহযোগীতা দিয়ে সমাজ ও সমাজের মানুষের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। তাই বৃহৎ পরিসরে সমাজের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে চেয়ারম্যান পদে আবারও সরকার দলীয় প্রার্থী হতে চান। যে কারণে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে আছেন তিনি।
এলাকার বিভিন্ন বয়সের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, দক্ষ সংগঠক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে তারা এবার দুলাল ফরাজিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান। নিশানবাড়িয়া  ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য তার বিকল্প নাই। ইতিমধ্যে ইউনিয়নের যুবসমাজ, ছাত্রসমাজসহ কৃষক-শ্রমিক, বয়োবৃদ্ধ ও সাধারণ জনগণের বেশিরভাগ অংশই দুলাল ফরাজির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। আবারও তারা দুলাল ফরাজিকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায়। ইউনিয়নের অনেক বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগের কর্মীরা বলেন, ‘এ ইউনিয়নে বিরাট একটি অংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সেক্ষেত্রে দুলাল ফরাজি মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হলে তাদের সংস্কৃতি ও কালচার অব্যাহত থাকবে। এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাজনিত  ও উন্নয়নে কোন সমস্যা হবে না।
দুলাল ফরাজির ইচ্ছা আঙ্খাক্ষা উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে আলাপচারিতায় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে একান্ত স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সংগঠন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল ইউনিয়ন গঠনসহ সকল কর্মকান্ডে জনগনের অংশগ্রহন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমার লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা কালিন দলীয় কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ করি। আওয়ামীলীগসহ দলের বিভিন্ন সহযোগী ও অংশ সংগঠনের পর্যায়ক্রমে বিভিন্য পদে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই স্কুল জীবন থেকে রাজনীতিতে পথচলা। আমার পরিবারের সবাই আ.লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। যে কারণে গণমানুষের কাছে সর্বাধিক পরিচিত থাকায় গত ইউপি নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন,এবারো দিবেন।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও জনগণের চাহিদা অনুয়ায়ী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে এবারও আমি অংশ নিতে চাই। জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতীক দিলে এবার আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো-এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। নির্বাচিত হলে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে তোলার ইচ্ছা আছে। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুেেদ্ধ যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলব।’
‘তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের ভোটাররা আমাকে নির্বাচনে আসার উৎসাহ দিয়েছে। দল আমাকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতীকের টিকেট দিলে-এবার আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের হারিয়ে যাওয়া অসম্পূর্ণ ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অত্র ইউনিয়নে উন্নয়নের নব দিগন্ত সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। এ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই, সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে সহযোগী হতে চাই। কারণ আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে যারা প্রতিনিধিত্ব করেছেন তাদের অবহেলায়  এ ইউনিয়নের  জনগণ উন্নয়নের আভাস পায়নি। নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারা গতিশীল করতে হলে দলীয় প্রার্থীর বিকল্প কিছু নেই। সে কারণে আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে নৌকার মাঝি হয়ে নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।’
তিনি বলেন দুস্থ অসহায় মানুষের জন্য আমি কাজ করে যেতে চাই।অসুস্থ রোগীদের উন্নত সেবার জন্য অন্য জেলা পটুয়াখালীর উপর দিয়ে আমতলী ও বরিশাল যেতে হয়। যাতায়াত ব্যাবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে তাদেরকে ভোগান্তি পোহাতে হয়,নেই দ্রুত যানবাহন।তাই আমার নির্বাচিত ইউনিয়নের জন্য অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যাবস্থা নিশ্চিত করবো।অসহায় মানুষের জন্য বিদ্রাশ্রম তৈরি করবো।স্কুলে ভর্তি হতে হলে সন্তান সহ  বাবা-মার অনলাইনে জন্মসনদের প্রয়োজন হয়,অনেকের জন্য সে ফি দিতে কষ্টসাধ্য হয়।জন্মসনদের সরকারি ফি টাকা আমি জনস্বার্থে
জমা দিয়ে দিবো।
কোন অসহায় ব্যাক্তি, যাদের পরিজন পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন  তাদের জন্য গোসল ও কাপড় এর ব্যাবস্তা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নিজ উদ্যগো করে দিবো।
আমি মানুষের মাঝে বেচে থাকতে চাই তাদের সেবায় নিয়োজিত করে।
দুলাল ফরাজি এলাকায় যেমনি দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্তের অধিকারী তেমনি একজন সমাজ সেবী  হিসাবে সমাজে সমাধিক পরিচিত। যিনি হাটি হাটি পা পা করে নিজেকে সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। যিনি নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের  ছোট-বড় সকলের প্রিয় মানুষ, গরীব দুঃখীসহ সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গী।
দুলাল ফরাজি শুধু বাক সচেতনই নন বরং স্পষ্টবাদী একই সাথে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর। তিনি এমন একজন নেতা যিনি একই সাথে ,শিক্ষানুরাগী, দেশপ্রেমী, সমাজ সেবক এবং নিষ্কলুষ তারুণ্যের প্রতীক।
নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের  মাটি ও মানুষের প্রিয়নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক দুলাল ফরাজির প্রধান লক্ষ্য সমাজের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা। আমার বিশ্বাস তিনি আমৃত্যু জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নের পথেই হেঁটে যেতে পারবেন।