নগরবাসীকে দেয়া অঙ্গীকার পূরণ করতে আবাও নগর মাতা’র আসনে  আইভি

মোঃশফিকুল ইসলাম আরজু, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: সন্ত্রাস মুক্ত উন্নয়নের নগরী গড়ে তুলতে ও নগরবাসীকে দেয়া অঙ্গীকার পূরণ করতে আবারও নগর ভবনের নগরমাতার আসনে বসেছেন  ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

ডা.সেলিনা হায়াৎ আইভি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে  স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারকে ৬৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন। এ নিয়ে একটানা  তৃতীয় মেয়াদে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হলেন।

রোববার (১৬ জানুযারি) রাতে রিটার্নিং অফিসার মাহফুজা আক্তার  বেসরকারীভাবে নির্বাচিত ফলাফল  ঘোষণা করেন।

বেসরকারী ঘোষিত ওই ফলাফলে ১৯২টি কেন্দ্রে সেলিনা হায়াৎ আইভী মোট ভোট পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৈমূর আলম খন্দকার পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৭১ ভোট।

১৬ জানুয়ারী রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

বহুল আলোচিত এ নির্বাচনে নজর ছিলো দেশ সহ বিশ্ববাসীর । রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগের জন্য এই নির্বাচন ছিলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিএনপি  দলীয় ভাবে অব্যহতি দিলেও  হাল ছেড়ে দেয়নি তৈমুর আলম খন্দকার ।

সিটি কর্পোরেশনের মোট  ১৯২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ছোটখাটো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া কোথাও বড় ধরনের সহিংসতা খবর পাওয়া যায়নি।

২০১১ সালে সিটি কর্পোরেশন গঠন করার পরে ২০১৬ তে নির্বাচন হবার পর এটি তৃতীয় নির্বাচন। মোট ভোটার সংখ্যা  ৫ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৩ জন। ৭ জন মেয়র প্রার্থী, ৩৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ও ১৪৮ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী লড়ছেন এই ভোটযুদ্ধে।

মাঠে ৭ জন মেয়র প্রার্থী হলেও তৈমূর আলম খন্দকার ও সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নিয়েই আলোচনা ছিলো নির্বাচনের পুরোটা সময়জুড়ে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাসুম বিল্লাহ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী রাশেদ ফেরদৌস সোহেল মোল্লা, খেলাফত আন্দোলনের জসিমউদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।