দোহার-নবাবগঞ্জে  বড় দিন উপলক্ষে গির্জাগুলোতে উৎসবের আমেজ

মাকসুমুল মুকিম,দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা): খ্রিষ্টান  সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড়  ধর্মীয় উৎসব বড়দিন  এ উপলক্ষে দোহার-নবাবগঞ্জ বিভিন্ন গীর্জা ও খ্রিষ্টানপল্লিতে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ বাড়িতে বাড়িতে সাজ সাজ রব। নতুন পোশাকে গীর্জায় প্রার্থনা যাওয়ার প্রস্তুতিও যেন শেষের দিকে। অতিথি আপ্যায়নের জন্য বাড়িতে বাড়িতে তৈরি করা হচ্ছে রকমারি পিঠাপুলি।
বগঞ্জের হাসনাবাদ, গোল্লা ও তুইতাল এই তিনটি ধর্মপল্লী ও বক্সনগর ও সোনাবাজু দুইটি উপধর্মপল্লী রয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে গীর্জা ও উপধর্মপল্লিগুলোকে সাজানো হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ঝলমলে আলোকসজ্জায়। গীর্জার ভেতরে করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ডিসপ্লে। মা মেরির প্রতিকৃতি ছাড়াও গোয়ালঘরে শিশু যীশুকে ফুটিয়ে তোলা কাজ চলছে। ঘরে ঘরে ঝলমল আলোকসজ্জা জানান দিচ্ছে বড়দিনের। এছাড়া ক্রিসমাস ট্রি, রকমারি নকশার রঙিন কাগজ, জরি, চেইন, আলোকসজ্জা দিয়ে সাজানো হচ্ছে গির্জাঘরগুলো। সেই সঙ্গে চলছে কেক, আর পিঠাপুলির আয়োজন। উৎসবের আলোয় নিজেকে রাঙিয়ে তুলতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সবাই। এসব কাজে ছোট শিশু থেকে শুরু করে যুবক, বৃদ্ধ সবাই সহযোগিতা করছে। বড়দিনের উৎসবের ঢেউ লাগতে শুরু করেছে অন্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝেও।

নবাবগঞ্জের ১৮টি গ্রামে ৫টি গীর্জা আছে। হাসনাবাদের পবিত্র জপমালা রানির গীর্জা ছাড়াও উপজেলার গোল্লা, তুইতাল, সোনাবাজু ও বক্সনগরে গীর্জা আছে। সব জায়গায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বড়দিনের প্রার্থনা হচ্ছে মানুষের মধ্যে যেন ভ্রাতৃত্ববোধ গাঢ় হয়, পৃথিবী থেকে যেন অস্থিরতা দূর হয় এবং সবার মধ্যেই যাতে শান্তি বিরাজ করে।

নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ জপমালা রানির গীর্জার ফাদার স্ট্যানিসলাউস বলেন, বড়দিনের শেষ মহুর্তের প্রস্তুতি চলছে। ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের মূল কার্যক্রম।