ডুয়েটে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু উচ্ছাসিত ও আনন্দিত শিক্ষার্থীরা

জি.আর.আকন্দ, গাজীপুর: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) সব অনুষদ ও বিভাগে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম গত রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। ৩০ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পর সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ায় উচ্ছাসিত ও আনন্দিত শিক্ষার্থীরা। সশরীরে ক্লাস নিতে পেরে আনন্দিত শিক্ষকরাও। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থী করোনা টিকা গ্রহণের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার মাধ্যমে সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হতে হবে।

এছাড়াও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের শ্রেণিকক্ষে আসতে বলা হয়েছে। প্রত্যেক শিক্ষার্থী এসব নির্দেশনা মেনে ক্লাসে উপস্থিত হয়। সশরীরে ক্লাস শুরুর প্রথম দিনে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকবৃন্দ। উপাচার্য বলেন, আবাসিক হল গুলো খোলার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে
ক্লাস শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরাই ক্যাম্পাসের প্রাণ। সশরীরে ক্লাস শুরুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আগমনে
ক্যাম্পাসে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। গত দেড় বছর ধরে আমরা অনলাইনে ক্লাস পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম
পরিচালনা করে এসেছি। অনলাইনে পাঠদান হলেও শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের যে আনন্দ তা ছিল না। সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতেই শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবো।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রমের আওতায় এনে দ্রæত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ও
করোনাকালীন শিক্ষা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ
হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চ মাসে করোনা
সংক্রমিত রোগী সনাক্ত হওয়ার পরে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে
অনলাইনে শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রম চালু ছিল। করোনার টিকাদান নিশ্চিতকরণ ও সংক্রমণ কমে আসায়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।