জননেএী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির মূর্ত প্রতীক -অভিনেত্রী তারিন জাহান

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অন্যতম মুখপাএ অভিনেএী তারিন জাহান বলেছেন বঙ্গবন্ধু ও জননেএী শেখ হাসিনার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িক শক্তির স্থান নাই ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। এই দেশে কোন মৌলবাদ, ফতোয়াবাজ, সাম্প্রদায়িক শক্তি কে রাজনীতি করার অধিকার নাই।

৭১ সালে এরা ছিল রাজাকার, আলবদর, যুদ্ধাপরাধী, দেশদ্রোহী ওরা দেশ ও জাতির শত্রু। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করি জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী বলে দাবি করি তারা সব সময় সাম্প্রদায়িক শক্তির বিপক্ষে আমরা অসাম্প্রদায়িক। এদের বিরুদ্ধে সজাগ রয়েছে । কোন সাম্প্রদায়িক শক্তি মৌলবাদী শক্তি ধর্মের নামে যারা ফতোয়া দেয় তারা কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে না তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার কমী না।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণকারে জননেএীর শেখ হাসিনার আদর্শের কর্মী মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে তারা এদের প্রতিহত করবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ২৪ টি বছর আন্দোলন সংগ্রাম করেছে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন করার জন্য। জননেত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির মূর্ত প্রতীক। তিনি সকল ধর্মের মানুষ যাতে নিজ নিজ ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করতে পারে তার জন্য কাজ করেছেন সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছে। কোন সাম্প্রদায়িক শক্তির স্থান তার কাছে নাই। এটাই আমাদের চিরচেনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ । যেখানে ধর্ম নিয়ে ভেদাভেদ নয় , যার যার ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে মানুষকে সবার আগে মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় । কুমিল্লাতে জন্মসূত্রে আমার বেড়ে ওঠা । তখন সেখানে সকল ধর্মের মধ্যে সৌহার্দ সম্প্রীতি আন্তরিকতা দেখেছি ।

সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে দেখেছি। ধর্ম যার যার উৎসব সবার ।। এমন পরিবেশেই বড় হয়েছি। সম্প্রতি কুমিল্লাতে যেই ঘটনা ঘটেছে এটি কারা করেছেন , কেন করেছেন , কি উদ্দেশে করেছেন সেটি একজন বোকাও বোঝে । অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে জন্ম নিয়ে যদি সাম্প্রদায়িক চেতনা মনে লালন করেন , তাহলে তাদের সেই সব দেশে চলে যাওয়া উচিত যেখানে সাম্প্রদায়িক চেতনার চর্চা। হয়। ৭১ পরাজিত শক্তিরা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু কে হত্যা পর জিয়াউর রহমান সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করে। এখন তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে এদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। যারা হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, বাড়িঘর, শ্মশানের জায়গা দখল করে তারা ৭১ এর পরাজিত শক্তি রাজাকার আলবদর,এর বংশধর ভূমিদস্যু দেশ ও জাতির শত্রু ।

এদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। বিজয়া দশমী উপলক্ষে তার বাসায় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতা কর্মী সাক্ষাৎ করতে গেলে এ কথা বলেন।