চৌগাছায় ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

চৌগাছা প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানার হস্তক্ষেপে শ্যামলী আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। সে পাশর্^বর্তী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার বুন্দেলীতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা গেছে, মেয়েটি চৌগাছা উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। তাঁর অমতে মেয়েটির পিতা-মাতা তাঁর নানা চৌগাছা উপজেলার বুন্দেলীতলা গ্রামের বাবুল মুন্সির বাড়িতে নিয়ে এসে বিয়ে দেয়ার আয়োজন করেছিলেন। মহেশপুর উপজেলার’ই যাদবপুর গ্রামের একটি ছেলের সাথে তাঁকে বিয়ে দেয়া হচ্ছিল।

স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা ওই গ্রামের ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমানকে নির্দেশ দেন বিয়েটি বন্ধ করার জন্য। ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান মেয়েটির নানার বাড়ি গিয়েবিষয়টি বলে বিয়ে বন্ধ করেন। উপজেলা নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের বুন্দেলীতলা গ্রামের ইউপি সদস্য

হাবিবুর রহমান বলেন, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি ওই বাড়িতে যেয়ে দেখি রান্না-বান্নার আয়োজন চলছে। বরপক্ষের লোকজনও সেখানে উপস্থিত আছেন। আমি তাঁদেরকে বুঝাই যে, এটি বাল্য বিয়ে। এই বিয়ে দেয়া আইনত অপরাধ। ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি এসেছি।

হাবিবুর রহমান বলেন, পরে উভয়পক্ষ তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং বরপক্ষ নিজেদের বাড়ি চলে যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যকে দিয়ে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করা হয়েছে।