চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিবার্চনে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে পৌর আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

আব্দুল্লাহ আল মামুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মোখলেসুর রহমান নির্বাচনী কার্যক্রমের অপ-প্রচার ও বিভ্রান্তমূলক তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে পৌর আওয়ামী লীগ। বুধবার দুপুরে শহরের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেন।
আগামী ৩০ নভেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ পৌর নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ মোখলেসুর রহমান এবং বাকি তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
গত ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব সামিউল হক লিটন ফেল করেন। এবার বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে তিনি মোবাইল প্রতীকে নির্বাচন করছেন। প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় দল তাকে ইতিমধ্যে জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদ থেকে তাকে বহিস্কার করেছে। লিটন গত ২১শে নভেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলন করে দলীয় প্রার্থীর সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্ত মূলক তথ্য প্রদান করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সামিউল হক লিটন গত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ্য করছিলেন গত ১ ও ২ নভেম্বর রাতে সোহেল ও রিপন নামে দুই যুবককে পৌর এলাকার বটতলা হাট এলাকায় মারধর করা হয়। ০২ নভেম্বর রাতে সোহেল নামে কোন যুবক সেই ঘটনায় জড়িত ছিল না। রিপন নামে যে যুবকের কথা বলা হয়েছে সে বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী নয়। গত ২৩শে নভেম্বর সে জানতে পারে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী সামিউল হক লিটন তাকে তার কর্মী হিসাবে উপস্থাপন করেছে। এরপর রিপন সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন যে তার কর্মী জাহিদুল ইসলাম কে মারধর করা হয়েছে কিন্তু এই বিষয়ে সদর মডেল থানায় কোন সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি। এছাড়া লিটন সাংবাদিক সম্মেলনে মিলন নামে এক কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ করেছে। পরবর্তী গণমাধ্যমের দ্বারা মিলন বিষয়টি জানতে পারলে এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে।
গত ১৯ নভেম্বর দুলাল নামে বিদ্রোহী প্রার্থীর বন্ধুকে দিবালোকে পিটিয়ে আহত করা প্রসঙ্গে বলা হয়, দুলাল নামে যে ব্যক্তিকে মারধর করার অভিযোগ করা হয়েছে তা আদোও সত্য নয়।  গত ২৬ অক্টোবর ০৯ টি, ২০ ও ২১ নভেম্বর ০৬ টি অফিস ভাংচুর করেছেন। বিদ্রোহী প্রার্থী উল্লেখিত অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়,  আগামী ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবারের পৌর নির্বাচনকে একটি উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। সেই সাথে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইন শৃংখলা বাহিনী, সাংবাদিক সহ সকল শ্রেণী পেশার জনগণকে সাথে নিয়ে পৌর নির্বাচনকে একটি অবাধ, সুষ্ঠ, গ্রহনযোগ্য ও প্রতিযোগিতামুলক নির্বাচনে পরিণত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।