গাজীপুরে একটি ব্রীজের মাধ্যমেই পাল্টে যাবে দুইটি গ্রামের চিত্র

জি.আর.আকন্দ, গাজীপুর(মহানগর)প্রতিনিধি: গাজীপুর মহানগরীর প্রতত্ন গ্রাম উধুর এবং ছিকোলিয়া। এই দু-গ্রামে প্রায় ৩০০ অসহায় পরিবারের বসবাস। সবুজের সমাহারে চোখ ধাঁধানো গ্রাম দুইটি হিন্দু পাড়া নামেও বেশ পরিচিত।

গত কয়েক যুগেও গ্রামবাসীর প্রাপ্তির খাতাতে খুব সামান্যই যোগ হয়েছে।মহানগরীতে এখনো যেন এক অজপাড়াগা দৃশ্য দেখা মেলে। একটি মাত্র ব্রীজের অভাবে উধুর গ্রামবাসীর চরম দুর্ভোগ। একই রকম দুর্ভোগ ছিকোলিয়া গ্রামের মানুষের। উধুর ও ছিকোলিয়া গ্রামের সংযোগ সড়কের মাঝে খালের উপর একটি ব্রীজ নির্মিত হলে পাল্টে যাবে এ দুই গ্রামের অপরুপ চিত্র। সেই সাথে কৃষি পণ্য পরিবহনসহ বিভিন্ন বাজারে নিয়মিত সবজি সরবরাহে চাহিদা মেটাবে এই গ্রাম দুইটি। উধুর থেকে ছিকোলিয়া এ গ্রাম থেকে অপর গ্রামে যাওয়ার জন্য শিশু, শিক্ষার্থী, বয়ষ্কসহ বর্ষা মৌসুমে ছোট নৌকা ও প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে চাঁদা তুলে বাশের সাঁকো তৈরি করে যাতায়াতের করে। ছিকোলিয়া গ্রামের সাধারণ মানুষকে দুই কিলোমিটার উধুর এলাকার পিচ ঢালাই পথ পারি দিয়ে মিরের বাজার যাওয়া লাগে।সরেজমিনে দেখা যায়, উধুর এলাকার পূর্বের শেষ প্রান্তের সাথে পিচ ঢালাই রাস্তা শেষ হয়ে গেছে। কৃষি এবং গবাদি পশুপালন প্রধান এ গ্রামবাসীকে সবজি ও গাভীর দুধ বিক্রির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য প্রতিদিন পুবাইলের কলেজ গেট, পুবাইল রেল স্টেশন হয়ে পুবাইল বাজারে যেতে হয়। উধুর ও ছিকোলিয়া গ্রামের দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। এই এক কিলোমিটার সড়কের মাঝখানে ছোট্ট একটি ভাঙাচুরা ব্রীজ রয়েছে। পূবাইল এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা বলেন, উধুর ও ছিকোলিয়ার অর্ধ নিমির্ত ব্রিজটি আহসান উল্লাহ মাষ্টার উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে করে দিয়েছিলেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোমেন মিয়ার কাছে ব্রীজ নির্মাণের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, গত বছরে এ ব্যাপারে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এখন তা কি অবস্থায় রয়েছে আমার জানা নেই। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-০২ ও ০৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, ব্রীজ নির্মাণের ব্যাপারে কোন টেন্ডার দেওয়া হয়নি। ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা চলছে।