গাজীপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪২তম জাতীয় সমাবেশ অনুুষ্ঠিত : ভার্চুয়ালে প্রধান মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্যারেড পরিদর্শন

গাজীপুর প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেশন, বেতন-ভাতা বাড়ানো হয়েছে। সদস্যরা যেন ব্যাংক ঋণ নিয়ে কাজ করতে পারে সে জন্য আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১০ ফেব্রæয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ সকালে গাজীপুরের সফিপুর আনসার ও ভিডিপি একাডেমীর ইয়াদ আলী প্যারেড গাউন্ডে আয়োজিত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪২তম জাতীয় সমাবেশে ভার্চুালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। তাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ দূরীকরণে আনসার বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ শান্তির দেশ। আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর দেশের উন্নয়ন মানে প্রতিটি পরিবারের উন্নয়ন। এর আগে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন । এ সময় বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম মন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে মন্ত্রী খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন শেষে অভিবাদন মঞ্চে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ সিনিয়র সচিব আক্তার হোসেন, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক খোন্দকার ফরিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন। সকাল ১০টায় ভিডিয়ো টেলিকনফারেন্সিং (ভিটিসি)’র মাধ্যমে যোগদান করে সশস্ত্র সালাম গ্রহণ করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তবে, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের ভূমিকা ও বাহিনীর উন্নয়নে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। কুচকাওয়াজে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহাপরচিালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের মাঝে পদক প্রদান করেন। অসম সাহসীকতা ও বিশেষ কৃতিত্ব ও সেবামূলক কাজের জন্য বাহিনীর ১৬২ জন সদস্যকে ৮ ক্যাটাগরিতে পদক প্রদান করা হয়। পরে বাহিনীর অর্কেষ্টা দলের পরিবেশনায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মজজ্ঞ, গান ও সংলাপের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।