এম এ হান্নানের পক্ষে মুকসুদপুরে  আওয়ামী লীগের যৌথ সভা

মাকসুমুল মুকিম, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা): ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ৬ষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক এম এ হান্নান খানকে বিজয়ী করতে যৌথসভা করেছে মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ হান্নান খানের নিজ বাড়ীতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান বক্তা দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত মুকসুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক এম.এ হান্নানকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। যদি আমাদের দলীয় কোনো নেতাকর্মী বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান বা ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং আমাদের আওয়ামী লীগের দলীয় কোনো নেতৃবৃন্দ ঐ বিদ্রোহী প্রার্থীকে সাহায্য সহযোগিতা করেন তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।

যৌথসভায় মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী এম এ হান্নান খান বলেন, আমি গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত মুকসুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে আপনাদের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আবারও আপনাদের সেবা করার জন্য আমি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছি। ৩১ জানুয়ারি আপনারা আমাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে মুকসুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন বলে আশা করি।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুল। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মানিত সদস্য সোয়েম আহম্মেদের সভাপতিত্বে ও মুকসুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক আইজিআর বীর মক্তিযোদ্ধা খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সদস্য জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহিনুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ বেলাল, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন সোহাগসহ আওয়ামীলীগের অঙ্গসংঠনের নেতৃবৃন্দ।