আমার উপর বর্বোচিত হামলার করে ভোট কারচুপি  করা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনেঃআনোয়ারুল হক 

ফরিদ মিয়া নান্দাইল ময়মনসিংহঃ  ময়মনসিংহের নান্দাইলে গত ৫ জানুয়ারী নান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো.আনোয়ারুল হকের উপর বর্বোচিত হামলার বিচার ও ভোট কারচুপির প্রতিবাদে এক সাংবাদিক  সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে ।
০৯ জানুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় নান্দাইল ইউনিয়নের রসুলপুর মুক্ত বাজারে (চিলার বাজার) সাংবাদিক সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চেয়ারম্যান মো.আনোয়ারুল হক।
 তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদে আমি  দলীয় মনোনীত  প্রার্থী ছিলাম। উক্ত নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন ০১নং দাতারাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে ও ০৫ নং সাভার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আমার প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র  প্রার্থী অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শণ ও বল প্রয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের জিম্মি করে।  ভোট প্রকৃত ফলাফল পরিবর্তন করে।
তিনি আরও  বলেন, নির্বাচনের দিন আমি এর প্রতিবাদ করলে আমার উপর হামলা করে। এসময় , ইউএনও কে ফোন দিলেও তারা ফোন ধরেনি।
 তখন আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন কাজলের লোকজন আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার উপর অতর্কিত আক্রমণ করে মারধরকরে ক্ষেতে  ফেলে রাখে । আমার নেতাকর্মীরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেও রাস্তায় গতিরোধ করে। এসময় আমার সাথে থাকা লোকজনের ৪-৫ টি মটর সাইকেল ভাংচুর করে। এবং আমার   নেতাকর্মীদের  মারধর করে  আহত করে ।
তাছাড়াও তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা প্রতীকে মনোনীত করেছে। নির্বাচনে উপজেলার কোন নেতাকর্মীরা আমার পক্ষে কাজ করেনি।
 অনেকেই নৌকার বিরোধীতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে গোপনে কাজ করেছে। নির্বাচনে নৌকা জয়ী হওয়ার পরও ভোট কারচুপির মাধ্যমে  আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন কাজল কে বিজয়ী ঘোষণা করে।
আমি তথাকথিত ফলাফল প্রত্যাখান করছি।এবং অবিলম্বে দাতারাটিয়া ও সাভার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোট পূনরায় গণনার দাবি করছি।
দলীয় নেতা কর্মী যারা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের  বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার দাবি করছি।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ২২ জন সাংবাদিক।