আমরা চাই আমাদের অভিনয় শিল্পীরা বিশ্ব মানের হবে -তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিন্ত্রী ডা.মো: মুরাদ হাসান এমপি বলেছেন; বাংলাদেশ আবরও নিজের ঠিকানায় সমহিমায় ফিরে এসেছে বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের অবিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্বে। যত দিন বাংলাদেশের নেতৃত্বে আছেন শেখ হাসিনা তত দিন বাংলাদেশ পথ হারাবে না। মুক্তিযদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে মডেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্র শিল্পীদের জন্য কল্যাণট্রাস্ট করেছেন, সেখানে টেলিভিশন শিল্পিদেরও অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। আমরা চাই আমাদের অভিনয় শিল্পীরা বিশ্ব মানের হবে, আমাদের পারতেই হবে। আমরা চাই আমাদের অভিনয় শিল্পীরা তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে অস্কারসহ বিশ্ব অঙ্গনে তাদের অবস্থান তৈরী করবে।

আজ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী এসময় কোথাও কেউ নেই নাটকের বাকের ভাইয়ের অভিনয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন; একজন অভিনয় শিল্পীর অভিনয় মানুষের মনে কতটা দাগ কেটেছে তার প্রমান বাকের ভাই চরিত্র। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রাষ্ট্র বির্নীমানে আমাদের অভিনয় শিল্পীদের অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। সবাই যার যার কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করলে আমাদের আর পিছনে ফিরে যেতে হবে না। শহিদুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাট্য ব্যক্তিত্য মামুনুর রশিদ ও সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর।

পরে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রাণ-ডিআরইউ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২১ এর ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

আজ শনিবার শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা  অঅনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে চ্যানেল আই ও একাত্তর টেলিভিশন মুখমুখি হয়। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র ছিল। চ্যানেল আই ২-১ গোলে পিছিয়ে থাকায় টাইব্রেকারের পঞ্চম শটে গোল করতেই হতো ম্যাচে ফিরতে হতো। চ্যানেল আই শেষ শট মিস করায় ৭১ টিভি চ্যাম্পিয়ন হয়। ২-১ গোলে জয়ী হয় একাত্তর টেলিভিশন।

ম্যান অফ দ্য ফাইনাল হন ৭১ টিভির মনিরুল মিল্লাত, ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট চ্যানেল ২৪ এর সাদমান সাকিব, টুর্নামেন্টের ফেয়ার প্লে পায় ইনকিলাব।

পুরস্কার বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংবাদিকরা খেলাধুলার প্রতিও বেশ মনোযোগী। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির এত বড় ফুটবল আয়োজন প্রশংসার দাবিদার। শুধু ঢাকা শহরেই নয়, সাংবাদিকদের এই ফুটবল প্রতিযোগিতা ঢাকার বাইরে বিশেষ করে বিভাগীয় শহরগুলোতে আয়োজন করলে এর ব্যাপকতা আরো বেড়ে যায় বলেও মনে করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী খেলা দেখে মুগ্ধ হন এবং আয়োজনের সাথে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও পাশে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডিআরইউর ক্রীড়া সম্পাদক মাকসুদা লিসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল  গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং চৌধুরী কামরুজ্জামান, হেড অব কর্পোরেট ব্র্যান্ড নূরুল আফসার বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আনু নাইম সোহাগ এবং ডিআরইউর সভাপতি মোরসালিন নোমানীসহ সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।