আনোয়ারায় বৈরাগ ইউনিয়নের গুয়াপঞ্চক গ্রামের আতংকিত নাম বন্যহাতি

মোঃ জাবেদুল ইসলাম,আনোয়ারা(চট্টগ্রাম): সন্ধ্যা নামেই হাতির ভয়। কয়েক বছর যাবৎ আনোয়ারা উপজেলার কয়েকটি গ্রামে থামছে না বন্য হাতির তাণ্ডব।দেয়াং পাহাড় সংলগ্ন বৈরাগ ইউনিয়ন গুয়াপঞ্চক গ্রামে  প্রতিরাতে পাহাড় থেকে লোকালয়ে নেমে এসে হানা দিচ্ছে বন্য হাতির দল।এসব এলাকার বাসিন্দারা হাতি আতঙ্কে রাত যাপন করছে।

দেয়াং পাহাড়ে অবস্থান নেওয়া বন্য হাতিগুলো সন্ধ্যা নামলেই লোকালয়ে এসে জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে যাচ্ছে।উপড়ে  ফেলছে গাছপালা,ভাঙ্গছে স্থাপনা এবং ক্ষতি করছে ফসল।নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য হাতির তাণ্ডব থেকে বাঁচতে প্রতিরাতেই মশাল জ্বালিয়ে,পটকা ফাটিয়ে, সার্চ লাইট ব্যবহার করে হাতির আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয়রা।

হাতির উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসন ও বনবিভাগের হস্তক্ষেপ কামনায় গতবছর মানববন্ধন কর্মসূচীও পালন করেছে বৈরাগ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ। তারপরও কোন সমাধান হচ্ছে না।হাতিগুলো তাড়ানোর জন্য প্রশাসন ও বনবিভাগের দিকে তাকিয়ে থাকলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান সাড়া মেলেনি। বৈরাগ ইউনিয়ন গুয়াপঞ্চক গ্রামে তাণ্ডব চালিয়ে জানমালে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে বন্যহাতি।

গত(১লা ফেব্রুয়ারি) রাত ২টায় মধ্যম   গুয়াপঞ্চক ৫নং ওয়ার্ডের  মোঃ রফিকুল ইসলামের  মুদির দোকানের দেয়াল ভেঙ্গে ভূসি,ধান,চাল,ডাল,আলুর বস্তা বের করে নষ্ট করে ফেলে।একই রাতে গুয়াপঞ্চক মোহাম্মদ উল্ল্যাপাড়ার মোঃ ওসমান গণির বাড়ির বাউন্ডারির দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে।প্রচুর গাছপালা ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী চায়ের দোকানদার মোঃ উমর বলেন,রাত ২টার দিকে পাহাড় থেকে হাতি নেমে দোকান, গাছপাল, বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে ফেলে। আমাদের এলাকার জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এটার সুনির্দিষ্ট সমাধান চাই।

এ বিষয়ে জানতে  চাইলে বৈরাগ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ নোয়াব আলী বলেন,  কয়েক বছর যাবত বন্যহাতি তাণ্ডব চালিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলছে।এ বিষয়ে আমি বনবিভাগসহ উধ্বর্তন কর্মকতাদের  অতিভিহিত করেছি।সকলের সহযোগিতায় আমি এটার সুনির্দিষ্ট সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।