‘অবৈধ মজুদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

আব্দুল্লাহ আল মামুুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ মজুদদারি রোধে করণীয় ও বাজার মনিটরিং জোরদার সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান।

জেলা প্রশাসক বলেন, বাজারে চালের অভাব নেই-চাল ভর্তি। কিন্তু দাম কেন বাড়ছে, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশনা দিয়ে খাদ্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মিলের স্টক ভেরিফিকেশন করতে হবে, কতটুকু ক্র্যাসিং হল, কতটুকু সরবরাহ হল তা সপ্তাহ শেষে নিয়মিত রিপোর্ট করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মিল মালিক, ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের মুনাফা কম করে জেলার মানুষের প্রতি মানবিক হতে হবে। কারা ধান চাল মজুত করছে জানতে চেয়ে ডিসি বলেন, আপনারা যদি জেনে থাকেন কারও কাছে অবৈধ মজুদ আছে, তার তথ্য দিন। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন-ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া পাটের বস্তা ব্যবহার করার বিষয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের সরকারি আদেশ মানার কথা জানান।

মিল মালিকরা বলেন, বাজারে সব পণ্যের দাম বাড়ছে। উৎপাদন খরচ বাড়ছে, পরিবহন ব্যয়ও বাড়ছে। চার হাত বদল হয়ে চালের দাম বাড়লেও মোকামে চালের দাম খুব বেশি বাড়েনি। খুচরা বিক্রেতারা চালের দাম বেশি বাড়াচ্ছে। করোনাকালে অনেক অলস অর্থ তৈরি হয়েছে। এসব অর্থ দিয়ে ধান চাল কিনে মজুত করে রাখা হচ্ছে, বন্ধ অনেক মিলেও চাল কিনে রাখা হচ্ছে। অবৈধ মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্রনাথ উরাঁও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি ) আহমেদ মাহবুব উল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাছান, জেলা পাট উন্নয়ন অফিসার অজিত কুমার রায়, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) আনিসুর রহমান, খাদ্য নিয়ন্ত্রকের প্রধান সহকারী ইমাম হাসান। মিল মালিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মোখলেসুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ এরফান আলী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকবর হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ সামিউল হক লিটন প্রমুখ।